এনটারটেনমেন্ট অন থিয়েটার

এনটারটেনমেন্ট অন থিয়েটার

বাংলায় এককালে থিয়েটার এর রমরমা ছিল । অনেক শিল্পী তাদের গড়ে তুলেছেন থিয়েটার এর মাধ্যমে। থিয়েটার কে অভিনয় শিক্ষার পাঠশালা বলা হত । সিনেমা জগতের প্রচুর শিল্পী নিজেদের গড়ে তুলতেন থিয়েটার এ অভিনয় এর মাধ্যমে।
স্বাধীনতার আগের যুগে পরাধীনতার প্রতিবাদে প্রচুর থিয়েটার সফল ভাবে হয়েছে।
সমাজ সচেতনতার মানসিকতা গড়ে তোলার জন্য প্রাথমিক ভাবে থিয়েটার প্রথা শুরু করা হয় ।
বাংলা থিয়েটার এর মহারথী ধরা হয় গিরিশ ঘোষ, বনদিনি দাসী, বাদল সরকার, প্রমুখ শিল্পী কে।
ধরা হয় 1779 সাল থেকে বাংলায় থিয়েটার শুরু হয় । 1883 সালে বাংলায় স্টার থিয়েটার শুরু হয় গিরিশ ঘোষ মহাশয়ের তত্ত্বাবধানে ।
ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নাটক নীল দর্পন নাটকটি পপুলারিটি পায় এই স্টার থিয়েটারে।
পরবর্তী কালে থিয়েটার বিশেষ স্থান দখল করে শম্ভু মিত্র ও উৎপল দত্তের তত্ত্বাবধানে।
দ্বিজেন্দ্র লাল রায় রচিত ‘মেবার পাঠান ‘ এর শো ঐতিহাসিক মূল্য রাখে।
উল্লেখযোগ্য কলকাতার থিয়েটার এর প্রদর্শন শালা গুলো হল স্টার থিয়েটার, রবীন্দ্র সদন, গিরিশ মঞ্চ, একাডেমী অফ্ ফাইন আর্টস ইত্যাদি । যদিও এই সময় থিয়েটার এর কদর অনেকটা কমে এসেছে টেলিভিশন এর দৌলতে।
আসাযাক এখনকার থিয়েটার এর শো গুলোতে।
একাডেমী অফ ফাইন আর্টস এ আসতে চলেছে কয়েকটা শো। “রাজরক্ত” শো টির কাহিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিসর্জন, রাজশ্রী এর অবলম্বনে আর উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে সজাগ করার নাটক।
এছাড়া এখানে হতে চলেছে রাণী ক্রেউসা নাটক শো। যার গল্প বাইবেল থেকে অনুপ্রাণিত।
আগস্ট মাসে আসছে অনিকেত সংকেত, বাবাই, রিটার্ন টিকিট ইত্যাদি ।
এদিকে নান্দীকার নতুন নাটক করতে চলেছে যার নাম মানুষ। এটা সোহিনী সেনগুপ্তর পরিচালিত নাটক।
নান্দীকার থিয়েটার গোষ্ঠী বহু বছর ধরে তাদের উৎকৃষ্ট নাটক পরিবেশন করে চলেছেন।
এই সময়ের নাটক জগতের একটা উল্লেখযোগ্য নাম দেবশঙ্কর হালদার । ওনার অভিনয় প্রতিভা দেখলে মোহিত হতে হয়।
যদিও থিয়েটার এখন সিনেমা জগৎ কে ছাড়িয়ে যেতে পারছে না তবুও বিনোদন জগতে থিয়েটার একটা সম্পদ। লাইভ শো করা এবং মানুষ কে জাগ্রত করা এটা একটা খুব কঠিন আর্ট যা সম্পন্ন হয়েছে থিয়েটার শিল্পকলার মাধ্যমে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top