“ডায়াল 100” রিভিউ : ‘চিত্রনাট্য হতাশ করল’

“ডায়াল 100” রিভিউ : ‘চিত্রনাট্য হতাশ করল’

‘ডায়াল হান্ড্রেড’ দেখলাম। দেখে শুধুমাত্র একটি কথাই বলবো এই ছবিটির চিত্রনাট্য খুব একটা আহামরি কিছু হয়নি। সত্যি কথা বলতে গেলে থ্রিলারধর্মী ছবির ক্ষেত্রে চিত্রনাট্যের এর মধ্যে টুইস্ট এবং সাব প্লট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, আপনি যদি এই ছবিটির প্রথম দিকটা মন দিয়ে দেখেন তাহলে আপনি এই ছবিটির শেষটা সহজেই প্রেডিক্ট করতে পারবেন। এই ছবিটির শেষে কি হতে চলেছে যদি ছবির প্রথম ৩০-৪০ মিনিট দেখেই বুঝতে পারি তাহলে পুরো ছবিটা দেখার মানে টা কি হলো আমি তো বুঝলাম না।


এই ছবিটির মধ্যে একজনের অভিনয়ে আপনার মনে দাগ কাটবে সেটি হচ্ছে মনোজ বাজপেয়ী। চিত্রনাট্য এতটাই দুর্বল যে নীনা গুপ্তা, সাক্ষী তানোয়ার এর মতন অভিনেত্রীদের এখানে তেমন বিশেষ কিছু করার জায়গা ছিল না।
অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী কে বারবার একরকমের চরিত্রের টাইপ কাস্ট করাটা একটু বন্ধ করা উচিত। বেশিরভাগ ছবিতেই তাকে এখন পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য ভাবা হচ্ছে। একই ধরনের চরিত্রে কেন অভিনয় করানো হয় আমাদের বোঝার বাইরে।
এই ছবিটিতে মনোজ বাজপেয়ী সিনিয়র পি আই নিখিল সুদ এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার স্ত্রী প্রেরনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাক্ষী তনোয়ার। সীমা পলভ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীনা গুপ্তা।


এক মন্ত্রীর ছেলে ইয়শ বেপরোয়া, লাগামছাড়া স্পিডে গাড়ি চালিয়ে ধাক্কা মারে নিরীহ একটি ছেলে অমর পলভকে। এই অমর পলভ হলেন সীমা পলভের ছেলে। অমরের হত্যার বিচার চেয়ে সীমা এবং তার স্বামী পুলিশ-আদালত সমস্ত জায়গা তে গিয়েছিল কিন্তু সেই মন্ত্রী তার নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার ছেলেকে বাঁচিয়ে নেয় সমস্ত জায়গা থেকে। এরপর শুরু হয় সীমার প্রতিশোধ নেওয়ার পালা। সে একটি প্ল্যান করে। এই প্ল্যানের সঙ্গে সিনিয়র পি আই নিখিল সুড কিভাবে যুক্ত হন এবং পরিশেষে কি হয় তা এই ছবিটির মূল গল্প।
এই ছবিটির গল্প লিখেছেন এবং পরিচালনা করেছেন রেনসিল ডি সিলভা।
এই ছবিটি প্রযোজনা করেছেন সোনিপিকচার্স ইন্ডিয়া এবং অ্যালকেমি ফিল্মস প্রাইভেট লিমিটেড।
ছবিটির চিত্রনাট্য যদি আরেকটু আঁটোসাঁটো এবং আনপ্রেডিক্টেবল হত তাহলে সত্যিই এই ছবিটি দেখে দর্শকদের খুব ভালো লাগতো। এই ছবিটি নিয়ে অনেক আশা থাকলেও এই ছবিটি পরিশেষে আশাহত ই করল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top